রেফারেল প্রোগ্রামটি বিশেষভাবে তাদের জন্য চমৎকার যারা বন্ধুদের মধ্যে জনপ্রিয়। একজন বন্ধুকে kf66-এ আমন্ত্রণ জানান, সে নিবন্ধন করে ডিপোজিট করলেই আপনি পাবেন ৳৫০০। এই পরিমাণ সরাসরি আপনার ব্যালেন্সে যোগ হয় এবং যেকোনো বিভাগে ব্যবহার করা যায়। রেফারেলের কোনো সর্বোচ্চ সীমা নেই, তাই যত বেশি বন্ধু, তত বেশি আয়।
ভিআইপি লয়্যালটি প্রোগ্রামটি kf66-এর সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা। প্রতিটি বেটে পয়েন্ট জমে এবং সেই পয়েন্ট দিয়ে স্তর উন্নীত হয়। ব্রোঞ্জ থেকে শুরু করে ডায়মন্ড স্তরে পৌঁছালে মিলবে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, দ্রুততম উইথড্রয়াল প্রক্রিয়া এবং বিশেষ উৎসব অফার। জন্মদিনে আলাদা সারপ্রাইজ গিফটও পাঠানো হয় ডায়মন্ড সদস্যদের।
গেম টুর্নামেন্টগুলো kf66-এর প্রমোশন ক্যালেন্ডারের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ অংশ। প্রতি সপ্তাহে আলাদা থিমে টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয় — কখনো ক্রিকেট বেটিং লিডারবোর্ড, কখনো ফিশ গেম চ্যাম্পিয়নশিপ, কখনো বিঙ্গো মেগা ইভেন্ট। শীর্ষ ১০ জন খেলোয়াড় পুরস্কার পান এবং প্রথম তিনজনের পুরস্কার সত্যিই বড়।
বোনাস ওয়েজারিং শর্ত নিয়ে অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা আছে। kf66-এ প্রতিটি অফারের শর্তাবলী সহজ ভাষায় লেখা থাকে। সাধারণত বোনাস পরিমাণের ৫–১০ গুণ বেট করলেই উইথড্রয়াল করা যায়। অনেক প্রতিযোগী প্ল্যাটফর্মে এই সংখ্যা ৩০–৪০ গুণও হয়, যা বাস্তবে পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। তাই kf66-এর বোনাস সত্যিকার অর্থেই ব্যবহারযোগ্য।
মৌসুমী ও উৎসব অফারগুলোও উল্লেখযোগ্য। ঈদ, পূজা, বিশ্বকাপ বা আইপিএলের মৌসুমে kf66 বিশেষ প্রমোশন চালু করে। এসব অফারে বোনাসের পরিমাণ সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক বেশি থাকে এবং সময়সীমা থাকে বলে দ্রুত সুযোগ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
পেমেন্টের ক্ষেত্রে kf66 সবসময় বাংলাদেশের বাস্তবতার কথা মাথায় রাখে। Mobile Banking, Nagad ও Rocket — এই তিনটি মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে যেকোনো সময় ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল করা যায়। বোনাসের টাকাও জেতার পর ঠিক একইভাবে তোলা যায় — কোনো আলাদা প্রক্রিয়া নেই।